Books

সারা পৃথিবীর পুরাণ 
ভূমিকা
পুরাণ মানে পুরনো । এখানে পুরাণ শব্দটি ইংরেজী মিথ বা মাইথোলজির অনুরূপ ধরে নেওয়া হয়েছে। মিথের আভিধানিক অর্থ –প্রাচীনকাল থেকে পুরুষানুক্রমে প্রবাহিত কাহিনী , বিশেষত কোনো জাতির আদি ইতিহাস সম্পৃক্ত বিশ্বাস ও ধারণা এবং নৈসর্গিক ঘটনাবলীর ব্যাখ্যা; অতিকথা; শ্রুতি; গূঢ় অর্থপূর্ণ কাহিনী; কাল্পনিক, উদ্ভাবিত ব্যক্তি বা বস্তু; অলীক; রূপকথাও হয় ।  আমরা দেখতে পাচ্ছি এটা লোকমুখে প্রচারিত গল্প হতে পারে, ইতিহাস হতে পারে, হতে পারে তখনকার মানুষের লব্ধ জ্ঞানানুসারে প্রাকৃতিক ঘটনার বিশ্লেষণ। এর মধ্যে অতিরঞ্জিত কথা থাকতে পারে। আবার রূপক কাহিনীও হতে পারে। আবার সম্পূর্ণ অলীক বা অলৌকিক হতে পারে ।এসব কানে শুনে শুনে মনে রাখা হয়।  
প্রশ্ন উঠতে পারে এখন মানুষ তো বিজ্ঞানের বলে বলীয়ান হয়ে যুক্তি প্রমাণের সাহায্যে প্রকৃত সত্য যাচাই করতে পারে তবে এইসব অলৌকিকে বিশ্বাস স্থাপনের কোনো মানে হয় কি ? বা আদৌ এর কোনো দরকার আছে ? এসব তো বর্জন করা উচিত। এই বক্তব্যের সঙ্গে আমরা আংশিক একমত হচ্ছি । তা ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে। কাহিনী দুই রকম হতে পারে— সত্যি ঘটা কোনো কিছু, তা ব্যষ্টি বা সমষ্টির হতে পারে । আবার কোনো এক বা একাধিক ব্যক্তির রচিত কাহিনী হতে পারে । এই দুই রকম কাহিনীর উৎস ও উৎসারণ মানবজীবনকেন্দ্রিক এবং যেহেতু মানুষ  চেতনা ও বুদ্ধি সম্পন্ন তাই তার পরিপার্শ্বে দৃশ্য, শ্রাব্য বা অনুভববেদ্য যা কিছু তার সুপ্ত বা জাগ্রত চৈতন্যে ধরা পড়ে  তাই তার একক বা সমষ্টিগত স্মৃতিতে থেকে যায় এবং তাকে বাঁচিয়ে রাখার একটা অনুপ্রেরণা কাজ করে।
এই অনুপ্রেরণা থেকেই কাহিনী শুরু হয়। তা  ফ্যাক্ট বা ফিকশন আকারে দেখা দেয়। ইতিহাসও সেই অর্থে এক কাহিনী বা কাহিনীগুচ্ছ—সত্য ঘটনা বা কল্পিত গল্প। আর এখানেই আমাদের কিছু বলার সুযোগ আছে। প্রথমে ধরা যাক ইতিহাসের কথা। এখন আমরা ইতিহাস বলতে যা বুঝি তা কিন্তু চিরকাল ছিল না । বস্তুত ইতিহাস রচনার প্রকরণ- পদ্ধতিও ক্রমবিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলছে । ইতিহাস রচিত হয় কোনো গ্রন্থ, পুঁথি, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, সরকারি দলিল দস্তাবেজ ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে । আজকাল অনেক বৈজ্ঞানিক উপায়ও অবলম্বন করা হয় যেমন কার্বন-ডেটিং, রিমোট-সেন্সিং, উপগ্রহ মারফৎ পাঠানো চিত্র, ডিএনএ পরীক্ষা ইত্যাদি। এসব আগে ছিল না। 
কিন্তু ‘ছিল না’ বললে তো মানুষের ইতিহাসের ক্ষিদে মেটে না। এর সঙ্গে আছে ব্যক্তি ও জাতিগত অস্মিতা। সুতরাং তা কখনো দ্রষ্টা বা ইতিহাস-রচয়িতানিরপেক্ষ হতে পারে না। যখন কোনো ঘটনা ঘটে তখন ইতিহাস-রচয়িতা কি সেইসব জায়গায় উপস্থিত থাকেন? আবার যিনি বা যাঁরা থাকেন তাঁরা কি সব ঘটনা সঠিকভাবে মনে রাখেন বা মনে রাখতে পারেন ? পারলেও তাঁরা কি সেইসব গুছিয়ে লিখতে বা বলতে সক্ষম ? কেউ তো সত্যের নিরঞ্জন আলোয় সব ঘটনাকে দেখেন না, দেখেন ব্যক্তির নিজস্ব ঝোঁক, প্রবণতা, বিশ্বাস (যা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল), মেধার উপর নির্ভর ক’রে। একই কথা খাটে কোনো জাতির ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে। বরং ব্যক্তির অস্মিতা থেকে জাতির অস্মিতা প্রবলতর হয়। তাই একই বিষয়ের ইতিহাস একেক দেশে একেক রকম। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের ইতিহাস পড়লেই দেখা যায় সেটা। 
অর্থাৎ ইতিহাস রচনা হয় তৃতীয়, চতুর্থ… ব্যক্তির মাধ্যমে। এবং তা সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য নয়। মানে ইতিহাসবিদ যতই বলুন কোনো ইতিহাস কখনো প্রজ্ঞাপারমিতা হতে পারে না। সব ঘটনা এক সঙ্গে ঘটে না বা অনেক ঘটনা একই সময়ে ঘটে। কিন্তু এই মুহূর্তে যা ঘটছে তা তখনই অর্থাৎ রিয়াল টাইমে জানতে পারিনা। কিছু সময়ে পরে জানতে পারি । সেই সময়ের ব্যবধান কখনো দীর্ঘ হতে পারে । ফলে কাল, স্থান পরিবর্তনের সঙ্গে মানবসম্প্রদায়ের জীবনশৈলী থেকে মূল্যবোধ সব বদল হয়; ফলত একই ঘটনা সম্পর্কে ধারণা (কনসেপ্ট) ও উপলব্ধি (পার্সেপ্শন) বদলে যায় । এবং ইতিহাসের ধারণাও বদলে যায়।
এইবার আসি মানুষের রচিত কাহিনী সম্পর্কে।আমাদের সামনে মানুষের কথা বলার পরিচিত যে প্রকরণগুলো আছে সেগুলো হ’ল কবিতা বা পদ্য, উপন্যাস, নাটক, গল্প প্রভৃতি, মোটামুটিভাবে। কিন্তু উপন্যাস বা নাটকে যেভাবে ঘটনাপরম্পরা তুলে ধরা হয় বাস্তবে তা হয় না। এই নিয়ে পিরানদেলো প্রশ্ন করেছিলেন তাঁর ‘নাট্যকারের সন্ধানে ছটি চরিত্র’ নাটকে । তিনি দেখিয়েছিলেন কিভাবে নাটকে বর্ণিত চরিত্র সত্য ঘটনার অক্ষম বা অপর্যাপ্ত অনুকরণ হয়। বরং দূরদর্শন ধারাবাহিকগুলো যতই সমালোচনা করিনা কেন তার ফর্মাটটা অনেকটা জীবনের সঙ্গে যায়। মানতে যাদের অসুবিধা তাদের উদ্দেশে বলি জীবনের সব ঘটনা কিন্তু উপন্যাস বা গল্পের মত হুড়মুড়িয়ে ঘটেনা। চরিত্ররা ঐরকম গুছনো ভাষায় কথা বলে না। সংসার বা সমাজের সংঘটিত অনুষ্ঠানগুলো বা সেখান থেকে উদ্ভূত জটিলতা ( বা সরল আবেগ, অনুরাগ-বিরাগ)-এর প্রকাশ অতটা সংহত হয় না। এমনও হয় কোথাও কোনো ঘটনা ঘটলে তা নিয়ে বিবাদ বা সুবাদ সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত্রি পর্যন্ত চলে। কখনো কখনো রাত পেরিয়ে পরের দিন অবধি গড়ায় । এমনকি দিনের পর দিন চলে। আবার তা নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘটেনা। এর মাঝে মাঝে অন্য আরো অনেক কিছু ঘটে যায় । শত চেষ্টা সত্ত্বেও কোনো গল্পকথক তাকে একেবারে জীবনের মত সাজাতে পারেন না । লৌকিক হ’লেও না। এবং এই সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখেই সমালোচকরা তার মান নির্দ্ধারণ করেন। কথক অর্থাৎ কবি বা গল্পকার বা নাট্যকার ঘটনাগুলো কিছু সময় বাদ দিয়ে দিয়ে বলেন । আবার আলাদা আলাদা চরিত্র ও ঘটনার কথা বলেন কিন্তু একাধিক ঘটনার কালক্রমের আনুপূর্বিক সম্বন্ধ পরিস্কার ক’রে বলেন না। একজন দরিদ্র মানুষ বা যাবজ্জীবন কারাবন্দী মানুষের যন্ত্রণা তো চলে ২৪×৭ ধ’রে ৩৬৫ (বা ৩৬৬ ) দিন। সেইভাবে কোনো কথাশিল্পীর পক্ষে উপস্থাপন করা অসম্ভব । কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত, নির্যাতিত, যন্ত্রণাক্লিষ্ট ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা মানুষজন তা আংশিক হ’লেও অনুভব করে থাকতে পারেন, সম্ভাবনা আছে। তিনি যদি কল্পনাশ্রয়ী হয়ে তাঁর অনুভবকে আবেগতাড়িত ভাষায় প্রকাশ করেন তবে তাকে স্বাগত জানাতে দ্বিধাগ্রস্ত হওয়া মেধাজীবির পক্ষে সম্ভব,অনুভবী মানুষের নয়। রূপক বা জাদুবাস্তবতা কি? 
এক বিন্দুতে এসে ইতিহাস বা বাস্তব জীবনে আধারিত গল্প/উপন্যাস মেলে – আর তা হ’ল উভয় ক্ষেত্রেই বাস্তবের সঙ্গে তার ফারাক ও সত্যতার সঙ্গে আপোস । এ পর্যন্ত যদি মেনে নেওয়া যায় তা হ’লে পুরাণ কি দোষ করল? এর উত্তর দেওয়ার আগে কতগুলো মৌলিক বিষয় বুঝে নেওয়া দরকার। আমাদের জীবন আবর্তিত হয় কিছু পার্থিব বস্তু ও ততোধিক মনোজাগতিক বিষয় নিয়ে । আর এই দ্বিতীয় ব্যাপারটাকে নিয়েই সমস্যা হয়। কারণ সেই অপরিচিত ব্রহ্মান্ড এখনো অজানা আর তার নাগাল ডাল নামাতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে । ধরা যাক বলা হ’ল কারো মুখ চাঁদের মত সুন্দর। সত্যিই কি তা সম্ভব ? ঐরকম গোল বড় থালার মত তাও আবার কালো ছোপ তাতে, সে খুব সুন্দর নয়। কিন্তু তবুও এই তুলনাটা সঠিক। কারণ এখানে চাঁদ পদার্থটির সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে না। করা হচ্ছে পূর্ণ চাদের যে স্নিগ্ধতা ও মায়াবী আলো তার সঙ্গে। আবার কবি যখন বলেন ‘পাখির নীড়ের মত চোখ’ তখন তার বিচার হয় কয়েক রকমভাবে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও কল্পনাশক্তির উত্তুঙ্গতার উপর নির্ভর ক’রে। একদল বলবেন পাখীর বাসা তো খড়ডালপালা দিয়ে তৈরী হয় একটা অপরিচ্ছন্ন অসুন্দর জিনিস, তা কি ক’রে ভাল? আবার কেউ ভাবতে পারেন সত্যিই বুঝি পাখীর বাসার মত ঐরকম এলোমেলো ভ্রূসহ কোনো চোখ সম্ভব। কিন্তু কবি সম্ভবত বলতে চেয়েছেন পাখীর নীড়ের মধ্যে যে রহস্যঘন গভীর মমতামাখা থাকে সেই মানুষীর চোখ সেই রকম ছিল। যদিও এইভাবে কবিতার ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ হয় না। বস্তুত কবিতার মানে কখনোই পুরোটা ব’লে বোঝানো যায় না । এইরকম অজস্র উদাহরণ দেওয়া যায় সাহিত্য থেকে। 
এরপরে আসে সত্যনিষ্ঠ হওয়ার কথা। এবং তা প্রকাশের অক্ষমতার কথা । এমন ভাষা বোধহয় বেরয়নি যা দিয়ে সব কথা ব’লে বোঝানো যায় । আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। রচয়িতা যা বলছেন তা জানা অজানা সব পাঠককে বিশ্বাস করানো যায় কি?। দেখা গেছে যে কবি সাহিত্যিক বা ইতিহাসকার যদি একেবারে ঠিক যতটুকু ঘটে ততটুকু বা তাই তাই বলেন তবে পাঠকের কাছে অনেক সময়ে তার মর্মার্থ পৌঁছয় না । তখন দরকার হয়ে পড়ে মানুষের সাহস, বীর্য, দয়া, উদারতা, মহত্ব বা বিপ্রতীপে ভীরুতা, কাপুরুষতা, হীনতা, সঙ্কীর্ণতাকে সমানুপাতে বর্দ্ধিত, রঞ্জিত বা অতিরঞ্জিত করার। এটা করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি হয়। কিন্তু একেবারে কিছু না বোঝানোর চেয়ে সেটা ভাল। একটু উদাহরণ দিলে বোঝানো যাবে। বাঘা যতীন মাত্র পাঁচজন সঙ্গী নিয়ে দেশী বন্দুক নিয়ে যে অসম লড়াই করেছিলেন তার অসাধারণত্ব একজন তাত্ত্বিক অ্যাকাডেমিশিয়ান ইতিহাসবিদের কাছে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং এক ধরণের ছেলেমানুষী, সশস্ত্র শক্তিধর ব্রিটিশ সৈন্যদলের সামনে ঐভাবে লড়তে যাওয়া হঠকারিতা। বাঘা যতীনের লড়াই সওয়া এক ঘন্টায় শেষ হয়েছিল ।  কিন্তু নীরস গ্রন্থীর কাছে তার মূল্য যৎসামান্য হ’লেও এর মধ্যে যে অসাধারণত্ব আছে তা সরল মুক্তপ্রাণ ইতরজনের কাছে মরে যাবে না। তাই বাঘা যতীন বা তার সমতুল্য মানুষরা, তাদের বীরত্ব মুখে মুখে ফেরে এঁরা রূপকথার রাজপুত্র হয়ে যান, তর্কবাগীশ, তর্কচূড়ামণিদের বিপরীতমুখী স্রোতে। এ এক অন্য ইতিহাস। 
এই গ্রন্থে সন্নিবেশিত পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের পুরাণ পাঠ করলে তাদের মধ্যে যে বৈশিষ্ট্যগুলো ফুটে ওঠে তা হ’ল তাদের ভিতরের আশ্চর্য আনুরূপ্য । প্রায় সব পুরাণে সৃষ্টির ব্যাখ্যা আছে এবং আছে যে আদিতে ছিল অন্ধকার এবং জল, একটা প্রলয় এবং প্লাবনের  থেকে মানুষ বেঁচে ছিল । এখনো তো প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস বার করতে পারেনি র্সৃষ্টির আদিতে কি ছিল । কে বলতে পারে এইসব জল, প্লাবন অন্ধকারের মধ্যে লুকিয়ে নেই সৃষ্টির আসল রহস্য? সেই আদিকালের সেই অন্ধকার, জল, প্লাবনের মধ্যে কোনো ইশারা লুকিয়ে আছে।  মনের গহনে যে দুর্মর দুরাশা , ব্যাকুল আবেগ, সুন্দরের আরাধনা, বীররসের মাদকতা, ঈর্ষা-ভালবাসা, প্রেম-অপ্রেম, রাগ-অনুরাগ তাই মুক্তি পায় ব্রহ্মা-সরস্বতীর আখ্যানে, ভেনাস-রতি-ওশুন-ফ্রেইয়াতে, জিউস-ইন্দ্র, অ্যাথেনা-সরস্বতী, জিউস-পসাইডন-হেডিস,ব্রহ্মা-বিষ্ঞু-শিব এর কাহিনীতে। 
হ্যামলেট কি সত্যি তার পিতার ভূত দেখেছিল প্রাসাদ শিখরে? মানা যায় না । কিন্তু তাকে উড়িয়েও দেওয়া যায় না ।  হ্যামলেটের চরিত্র এমন যে সে নিজে পিতার মুখ থেকে তাঁর মায়ের অপরাধের কথা না শুনলে বিশ্বাস করত না (কেই বা পারে?)। ম্যাকবেথে যে ডাইনীদের কথা আছে তা সত্যি না হ’লেও সত্যি। মনের ভুবনে মায়ালোক থেকে ছায়াতরণী ভাসায় শূন্যে। এখানে আছে মেতে ওঠার মাতিয়ে দেওয়ার গল্প, উড়ে যাওয়ার, ফুরিয়ে যাওয়ার গল্প।
অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও সমগ্র পৃথিবীর পুরাণ কথা লেখা গেল না কারণ অনেক ক্ষেত্রে ওভারল্যাপিং আছে আবার তথ্যের অপ্রতুলতাও আছে। তবে বাণিজ্যের মত ধর্মও চিরকাল দেশে দেশে প্রবাহিত হয় । কিন্তু তার চেয়ে গুরুতর কথা হ’ল অতিরঞ্জিত করতে গিয়ে শিল্পের সীমা লঙ্ঘন হয়ে যায় । অন্যদিকে পাঠকদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ সেই ভুল অতিরঞ্জনকে অতিমাত্রায় বিশ্বাস ক’রে বসে; আবার অতি নীরস গোঁড়া যুক্তিবাদী এইরূপ বিক্ষিপ্ত বিচ্যুতির জন্য আমূল পুরাণকেই নস্যাৎ করেন। উভয়ই ত্রুটীপূর্ণ ।   
 
 
 
 
 
PUZZLES OF HISTORY
PUZZLES OF HISTORY
TAGORE IN THE WEST
TAGORE IN THE WEST
OJANA ISRAEL
OJANA ISRAEL
HISTORY OF A FEW GENOCIDES
HISTORY OF A FEW GENOCIDES
Aadhunik Bharater Rupaker Raja RamMohan
Aadhunik Bharater Rupaker Raja RamMohan
Bohir Bharat a Bharater Jatiotabadi Swadinota Songram
Bohir Bharat a Bharater Jatiotabadi Swadinota Songram
Golpo Bitan
Golpo Bitan
সারা পৃথিবীর পুরাণ
সারা পৃথিবীর পুরাণ
জলদস্যুতার মুখ ও মুখোশ
জলদস্যুতার মুখ ও মুখোশ
ভারত সভ্যতার উপর পরিকল্পিত আক্রমণ (১ম খণ্ড)
ভারত সভ্যতার উপর পরিকল্পিত আক্রমণ (১ম খণ্ড)
ব্যাংকিংএর সমাজতত্ত্ব
ব্যাংকিংএর সমাজতত্ত্ব
অন্য ভুবন
অন্য ভুবন